anuradha1311

Smile! You’re at the best WordPress.com site ever

Archive for the month “অগাষ্ট, 2012”

তুমি

মা,
তুমি আমার এই জগতের India Gate
তুমি আমার রান্নাঘরের তরলা দালাল
তুমি আমার এই সমাজের বিদ্বদজন
তুমি আমার দক্ষিণী আর গীতবিতান ।

অভিজিত, তুমি আমার বন্ধতালা খোলার চাবি
তুমি আমার শীতের রাতের নক্সিকাঁথা
তুমি আমার মনখারাপের টাইগার বাম
তোমা বিনা জীবন হবে ট্রাফিক জ্যাম ।

রাজা, তুমি আমার রবিশঙ্করের তারের ঝালা
তুমি আমার মুক্তহৃদয়, নন্দলালা
তুমি আমার নিঃশ্বাস আর সাহস বটে
তুমি আমার নাইজামের কাঠিকাবাব ।

রুণটু, তুমি আমার লক্ষ্মীসোনা লেখার কলম
তুমি আমার উৎসাহ আর বেদম হাসি
তুমি আমার গান আর লেখার পাতলা কাগজ
তুমি আমার পিটার ক্যাটের চেলোকাবাব ।

মৃণালিনী,তুমি আমার সুপ্তমনের জীয়নকাঠি
তুমি আমার স্ত্রীশক্তির প্রধান ঘাঁটি
তুমি আমার সান্ত্বনা আর নরম বালিস
তুমি আমার গরমভাতে পোস্তবাটা ।

দীপা, তুমি আমার বদ্ধঘরের দমকা হাওয়া
তুমি আমার এস্রাজের সারেগামা
তুমি আমার অমাবস্যার চাঁদনী আলো
তুমি আমার অঘ্রাণেরই গরম জামা ।

আমি সবার কাছে করি কুর্নিস, নিও সেলাম
হে মা শক্তি, জানাই আমি কৃতজ্ঞতা ।

Advertisements

মেঘ চুরি

কে যে চুরি করে নিল আকাশের মেঘের রাশি !
ছেঁড়া ছেঁড়া তুলোর মত নরম ছিল না মেঘগুলো
বেশ ঘন আস্তরণে ঢেকে ফেলেছিল নীল আকাশ
মনে হল হয়ত বা এখুনি ভাসিয়ে দেবে রাস্তাগুলো !

হায়, হায় ! কোথায় গেল তারা ? কোন অজানা দেশে
পাড়ি দিল তারা ; হঠাতি দেখা যায় সূর্য্যিমামাকে পুবের দিকে
ঠোঁটের কোণে সামান্য স্মিত হাসি, গায়ে গরম রোদের জ্যাকেট –
ভাবখানা এই, কি কেমন জব্দ ? আর আসবে সকালবেলা এই দিকে ?

এখন আমার রং খেলার কথা, হালকা গোলাপি, কমলা ও ঘন লাল
নানা রংএ এখন আকাশ রাঙাব আমি, করব নষ্ট সব বীজানু
কোথাকার তুমি হরিদাসপাল, রাত্তিরে আসলেই পার এদিকে
তখন ত’ আঁধারে তোমার ঘনঘোর রংএ ছেয়ে যাবে অণু পরমাণু ।

এই সব মেঘরোদ্দুরের চাপান উতরে, পৃথিবী ক্লান্ত হয়ে ওঠে
বলে, “বন্ধ করো তোমাদের কচ কচানি, একটু বৃষ্টি দাও আমায়,
কাঠফাটা রোদ্দুরে আমার গা’ময় ফাটা আর জ্বালা –
মেঘকে একটু জায়গা করে দাও, সূর্য্যিমামা, তুমি বাঁচাও আমায়”।

সূর্য্যিমামা ভাবে, সত্যিইত’ মন্দ কথা বলেনি পৃথিবী –

একটু জল ত’ দেওয়া যেতেই পারে, স্নিগ্ধ হবে ধরাতল

তা’ছাড়া মানুষজন এরাও বা খাবে কি, সব ত’ শুকিয়ে কাঠ

আয় মেঘ আকাশে আয়, করে দে মাটী স্নিগ্ধ সজল ।

আবার মানুষগুলোকে এখন আর বিশ্বাস নেই, যা করছে দিনরাত

কখন আবার চাঁদ বা মঙ্গলের মত হঠাত আসবে ধেয়ে –

কি জানি কি করে বসে তারা, তার চেয়ে বাবা এই বেশ

আনন্দে, শান্তিতে কাটাক জীবন তারা খেয়ে দেয়ে ।

অনুরাধা গুপ্তা

ব্যাঙ্গালোর ২১/৮/২০১২

20120827-213038.jpg

সময়

জীবনের মহামূল্য মানিকরতন সময়-
সময় করে আমাদের জীবনগতির নির্ধারণ,
সেই ব’লে কোন কাজ কখন করা উচিৎ-
তাই সময়ের দাম দিয়ে যেতে হবে আমরণ ।

সময়ের সাথে সাথে জীবনের রং পালটায়
বদলে যায় মানসিকতা, দৃষ্টিভঙ্গিও বদলায়,
অবাক চোখে দেখি তার নাটকীয় আনাগোনা ,
অনুভব করি তার চলন বলন বচন, যা হঠাৎই পালটায় ।

মানুষের জীবনে মৃত্যু অনিবার্য, তার নিঃশব্দ আগমন
কষ্ট হয় মানতে, কিন্তু সবাই জানি এ বিধির বিধান-
জন্মালে মরতে হবে, নিদারুণ সত্যি এ যে
যতই কষ্ট হোক, মানতেই হয় এ বিধির নিদান ।

সময়ের পরিবর্তন চোখে পড়ে, আর বেশী অনুভব হয় অন্তরে-
নদীর স্রোতের মত সে বহে চলে, ঘড়ির কাঁটার মতন চলে এগিয়ে,
সেই কাঁটা কখনও চলে না উলটো পথে
তার পেছনে ছুটতে ছুটতে আমরাই পড়ি পিছিয়ে ।

তাই করা চলবে না সময়কে অবহেলা
এই পৃথিবীতে সবাই করে যাওয়া আসা
স্রোতে ভেসে ভেসে এগিয়ে যেতে হবে –
ফিরে না তাকিয়ে পিছনে নিজের বাসা ।

হে সময়, তুমি কালের প্রতিভূ, জগতের সাক্ষী
সেই আদিকাল হতে নিঃশব্দে এগিয়ে চলেছ
তোমাকে আলিঙ্গন করে, আমি যেন এগিয়ে চলি
অযথা অপচয় না করে, দিয়ে সম্মান ।

                                  অনুরাধা গুপ্তা

                             ব্যাঙ্গালোর ১৮/৮/২০১২

20120826-132645.jpg

MY MOTHER

জননী মোর

অশান্ত মনকে শান্ত করতে কত অশান্তি যে পোয়াতে হয়
মন যে কেন হয় উদবেল, অস্থির, চঞ্চল এ জানার নয় –
কত ত’ চেষ্টা করি প্রাণায়াম অথবা ধ্যান করতে-
দিনের শেষে দেখি যেখানে ছিলাম সেখানেই আছি মরতে মরতে ।
কি করে যে শান্ত করি মন, বাধা বিপত্তি ছাড়িয়ে সংসারের উরদ্ধে
উঠতে চেষ্টা করলেও মাধ্যাকর্ষণ শক্তির দ্বারা নিচে নামে
বয়সের সাথে ত’ মন শান্ত হবার কথা, নিরুত্তাপ, নিস্তরঙ্গ ।
কিন্তু একি জ্বালা, এখনও সংসারের মায়ার সঙ্গে অন্তরঙ্গ
হয়ে এক মন, শেষ পাড়ানির কড়ির যোগার করতে নয় রাজি ।
তবে কি করে কি হবে, কড়ি ত’ হাতে পেতেই হবে, হলেই বা নিমরাজি
হে করুণার সিন্ধু, অসীম করুনাময় ঈশ্বর, দয়া কর
তোমার কৃপা বিনে কিছু হবার নয়, তাই হাত ধর
অজ্ঞান আমি, সজ্ঞান করে ধর মোর হাত
লয়ে চলো অমৃতের সাগরে, হে জীবননাথ ।
তার আগে মনকে কর সমাহিত, সুন্দর, শান্ত
বর্ষণ কর শান্তিবাণী, উজ্জ্বল কর মোর আগামী দিন
তোমার স্নেহের পরশে সিঞ্চিত করো অঙ্গ মোর
করুণাময়ী জননী মোর, চোখে দাও ঘনঘোর –
রন্ধ্রে রন্ধ্রে উচ্চারিত হোক তব মহিমা, উদ্বেলিত হোক অন্তর
তব মহিমাগানে উচ্চকিত হয়ে উথুক মন নিরন্তর ।।

অনুরাধা গুপ্তা
ব্যাঙ্গালোর ৮/৮/২০১২

সিংহদরজা

বেহালার ঐ ছেলেটা যে নাকি দাঁতে দাঁত চেপে করেছে যুদ্ধ
দিনের পর দিন প্রমান করতে হয়েছে সে দেশের হয়ে লড়তে পারে
কিন্তু ভাগ্য কি সর্বদা তাকে সাথ দিয়েছে ? হয়তো বা দেয়নি –
কারণ শ্রীলঙ্কা-ভারত “যুদ্ধে” আবার তার নাম উঠে এল রেকর্ডের বোর্ডে।

ঠিক সেই রকমই কত শত মানুষ দেখি এ জীবনে-
সকলের জীবনগাথা অবশ্য অত উচ্চমানের হয়না –
তাই কাগজেও নেই প্রকাশ, কিম্বা টেলিভিষণের পর্দাতে

সমাজেরবিভিন্স্তরে তাদের যুদ্ধ চলে অবিরাম, নিশিদিন ।

এ’ ত’ গেল সার্থক মানুষের কথা, যারা নাকি –

নিজেদের ছাপিয়ে করতে পারে অপরকে স্বাধীনচেতা, স্বনির্ভর,
নাই বা জানল সারা বিশ্ব তাদের সার্থকতার গান
মেধাপাটকর, বা অমর্ত্য সেনের মত হয়তো বা নামডাক হল না।

তাতে কিছু এসে যায় ? যায় না। কারণ সকলকে একদিন

হিসেব দিতে হয় সেই এজলাসে যেখানে বিচারক একা-

কোন ডিভিশন বেঞ্চ নেই, নেই কোন কোন টাকাপয়সার খেলা

খালি আছে মানবিকতা, সততা, পরোপকারিতা ইত্যাদি ।

নেই সেথা মিথ্যা, জোচ্চুরি, ঠগ জুয়াচুরি, কালোবাজারি

আলোর পরে আলো আছে, যেমন থাকে মেঘের পরে মেঘ

গানের সুরে নাচে সব অচিনপরী, নেই সেথা আলোর ঝলকানি

ভুলে গিয়ে আধুনিকতা বা সাময়িক আনন্দ, আছে সেথা আনন্দ,

আনন্দই আনন্দ ।

কেউ কি সেই আনন্দধামের পথ চেনাতে পারে-

সঠিক কম্পাসের নির্দেশ কি পাওয়া যায় সেই পথের ?

নেই কোন ঠিকানা সেই আনন্দধামের, আমার কাছে –

নির্জনে বসে তাই ভাবি আনমনে কোথায় পাব তার খোঁজ ।

হঠাৎ মনে হয় এই জগতেই খুঁজতে হবে সেই আনান্দধাম

হাতের কাছে যা পাওয়া যায় তাতেই করতে হবে মনোনিবেশ

মানুষের মাঝেই আছে সেই আনন্দলোক –

দূরে জাবার দরকার নেই, নেই নিজেকে জাহির করার ।

দরকার নেই কতটা ক্ষমতা আমার আছে অন্যকে প্রমান করার

নেই কোন প্রচারের দরকার, কিমবা খবরের কাগজ,

টেলিভিশনের পর্দায় নাই বা দেখাল আমায়

মনের মুকুরে পড়বে সেই অন্তরের ছায়া- যা নাকি শ্বাশ্বত ।

ধীরে ধীরে কেটে যাবে মেঘ, ছিঁড়ে যাবে মায়ার বাঁধন

উন্মুক্ত হয়ে উঠবে জগতের উদার সিংহদরজা

ধীর পায়ে দৃপ্ত ভঙ্গিমায় নিয়ে যত অন্তরের আলো আর ভাষা

পার হব সেই দরজা নিয়ে বুকভরা ভালবাসা ।

                                      অনুরাধা গুপ্তা –

                                   ব্যাঙ্গালোর ১০/৮/১২

কৃপা

প্রতিদিন, প্রতিক্ষণ, প্রতিমুহূর্ত মা তোমার কৃপা চাই

এ জগতে তুমি বিনা আর যে কেহ মোর নাই ।

ছোট বড় যে কোন কাজে চাই তব আশীর্বাদ,

মূরহ আমি, ভাবি তাই সব নিজে করি কাজ ।

অনুভব করি তোমার সান্নিধ্য, ধন্য মোর জীবন আজি

সংসার সমুদ্রে ধ্রুবতারাসম উঠ আজি

দেখিয়া তব স্মিত আনন, লভিয়া তোমার আলিঙ্গন

হৃদয় মোর পরিপূর্ণ, করি শান্তিসলিলে অবগাহন ।

এ কঠিন জগতে যখন সব কিছু দুর্মূল্য, দুর্বোধ্য

তোমার বাণী দেয় মোরে শক্তি, তুমি মম আরাধ্য ।
ধৈর্য দাও, ভক্তি দাও, দাও মোরে বিশ্বাস –

কর ধন্য মোর জীবন দিয়ে মোরে আশ্বাস ।

20120816-142317.jpg

My beloved Amma

Amma, mother of the Universe, give me strength/
To fight all odds, to stand up straight/
To be honest and compassionate/
A true human being, just like a fountain/
Pouring out love to everybody/
And overlooking all wrong deeds/
Have faith in You and trust/
Since to live happily it is a must./
Dearest Amma, my source of living/
Encircle my thoughts with Your bindings/
Let me see You in every human being/
Which will change my attitude/
Let it be blessed with holy multitudes/
Please, You holy angel, omnipotent./
Your omnipresence is felt every time/
And You are an omniscient soul/
Let it kindle in me the light of love/
And search my soul and let me surrender/
At Your lotus Feet with all the prayers/
Please grant me the blessings which I aspire/
You, the Goddess of Universe, without any fear.

20120813-213552.jpg

Hello world!

Welcome to WordPress.com! This is your very first post. Click the Edit link to modify or delete it, or start a new post. If you like, use this post to tell readers why you started this blog and what you plan to do with it.

Happy blogging!

Post Navigation