anuradha1311

Smile! You’re at the best WordPress.com site ever

কেন ?

ধর্মের নামে হানাহানি, কর্মের নামে অসৎ কাজ
কে তোমাকে বাঁচাবে বন্ধু? কভু কি তোমার নাহি লাজ ?
কেন বিদ্রূপ কর অপরকে? কেন লাঞ্ছনা দাও দলিতকে
কেন বঞ্চিত কর অন্যায় ভাবে; আসলে বঞ্চিত করছ নিজেকে ।
ভুলে যাও কেন আজ যা তোমার কাল সেটা হবে অন্যের ?
জনমের সাথে কিছুই আসে না, পার না নিয়ে যেতে সঙ্গে ।
তবে লাভ কি এত চুরি ছ্যাঁচড়ামির, কেন কর অসৎ কর্ম ?
কর্মফল যে যাবে তোমা সাথে, জীবনের সারমর্ম !
এখনও বন্ধু সময় আছে, দেখ যদি পার কিছু করতে
নয়ত পাপের বোঝা চেপেই যাবে, শেষ হবে মরতে মরতে ॥

অনুরাধা গুপ্তা
কলকাতা 22/12/14

TO SUMI WITH LOVE

Sumi and Rajarshi, do you know marriages
are made in heaven,
So try to work at it and let your abode
be turned into heaven
Let there be peace and happiness
Let there be love and laughter
Let there be fairies and flowers
Daffodils and lilies
Lots of blessings and benedictions
From the Lord Almighty
Love you both, this is a small wish
From Mesho and Mashi.

Anuradha Gupta
Kolkata 8/12/14

MY CHILDREN – FROM YOUR MA

Did I ever realise that my children
love me so much ?
Did I ever know that parents are spoilt
when they become old ?
Never did I dream that I would be getting
these wonderful gifts ?
Never did I know that I mean so much
to all my children.
I am honoured, I am blessed to have
such loving children,
Never did I visualise that they would
take the front seat
And drive me beautifully to the
world of love
Where love is the key of the house
and compassion is the driving force
May God bless them and shower on them
the happiest blessings in the world
I, as a mother, wish them health, wealth
and happiness
To grow more and more and turn into
a complete human being
To all my children, this is the loving
and sincerest wish from a MOTHER.
Let God be with you all and can love you
only more than a MOTHER.

Anuradha Gupta
Kolkata. 11/11/14

THE PRECIOUS PRIZE

The weather was still – and the sky blue
I was wondering what to do but didn’t have any clue,
There was a dark cloud of loneliness, though we are two
Still there was no butterfly and loads of work to do,
But we felt lost in our own thought I don’t know why
Was searching for some in the azure sky, p
Then I saw some loving familiar faces looking
Are they my children, my God, they are my babies, loving us
And who is the icing on the cake with a wide smile
Taking away all the dark clouds, dressed into beautiful glide
Oh ! My my ! It is the victorious, smiling widely with twinkling eyes
It is Bijoya dispersing all gloom and giving us the precious prize .
It was a dream come true, our children came for a short visit.
Be happy , prosperous , healthy children
We are waiting for your next visit !

Anuradha Gupta
Kolkata. 8/12/14n

বিজয়া

এই শান্ত সবুজের মাঝে বেশ কিছু ময়ূর ময়ূরীর মেলা
বিশাল মহীরুহের ছায়া সৃষ্টি করে এক মোহময়ী রূপসী দিল্লী-
দূরে কিছু শালিকের মেলা – পেছনে ধেয়ে আসছে গুরুর গর্জন-
আর এই সুন্দর পরিবেশে রাজরাণী হয়ে অবাক চোখে করছে পর্যবেক্ষণ
আমাদের বিজয়া- আমাদের নয়নের মণি, ঈশ্বরের সেরা সৃষ্টি ।
বিজয়া তুমি আমার গানের ভেলায় ভেসে চলেছ অচিনপুরে-
বিজয়া তুমি এনেছ সুর আর তরঙ্গ আমাদের নিস্তরঙ্গ জীবনে
বিজয়া তুমি জাগিয়ে তুলেছ ঢেউ এই শান্ত হৃদয়ে
বিজয়া তুমি মুখর করেছ কোন নীরব কবিকে-
বিজয়া তুমি ভেঙ্গেছ দুয়ার এনেছ জ্যোতির্ময়কে এই ভবনে –
বিজয়া তুমি এক করেছ দুই অপর মেরুকে –
বিজয়া তুমি জয় এনেছ এই মানব জগতে
বিজয়া তুমি ভালবাসতে পেরেছ এই মানবজাতিকে ।
ভালো থেক বিজয়া, আনন্দে থেক, কর আনন্দিত ধরাধামকে
বিজয়া মোর আশীষ নিও, বন্দনা করি, প্রণিপাত করি ॥

অনুরাধা গুপ্তা
দিল্লী 18/10/14

ব্যাঙ্গালোর

মাঝে মাঝেই ভারাক্রান্ত হয় মন, জানাতে হবে এখন বিদায়-
ফুলের শহর, আই টির মেক্কা, বাঙালী ছাত্রের বর্তমান ঠাঁই
সকালের শান্ত পরিবেশ; সারাদিনই প্রায় শান্ত “প্রেষ্টিজ”
আবার আমার পথ চেয়ে বসে থেক “গিভেঞ্চি”, শীঘ্র আসব তাই ।

মায়ায় বাঁধা জীবন, কিন্তু এই মায়ার বাঁধন ছিঁড়ে যেতে হবে-
মাতৃটান, বড় কঠিন টান, তাই সাড়া দিতেই হবে-
বৃদ্ধা জননীর প্রতি কর্তব্য, দুনিয়ায় তার হয়না হিসাব-
তাই মন না মানলেও, ব্যাঙ্গালোর দাও বিদায়, যেতেই হবে ।

ব্যাঙ্গালোর, তুমি মোহময়ী- কিন্তু হারিয়ে যাচ্ছে তোমার রূপ-
গাছের সবুজের মাঝে মাঝেই দেখা যায় কংক্রিটের পিলার;
কোথায় গেল সেই সবুজ বনানী, সকালে সকলের মাথা ঢাকা
শীতের হাওয়া ফাগুণের রংএ রঙ্গিন, রূপ কেন কমল তোমার ।

মানুষ, তুমিই দায়ী, পাহাড় কেটে আনলে কেদার বদ্রীতে বাণ
গাছ কেটে পৃথিবীর রূপকে করছ নষ্ট ! ধরিত্রীকে কর সম্মান –
ব্যাঙ্গালোরকে বানালে এক আইটি নগরী, ভেঙ্গে “সামার প্যালেস”
এখনও সময় আছে, একটু রাশ টানো, জানাও তাকে সম্মান ।

“প্রেষ্টিজ” তুমি ভাল থেক – কুকির সাথে আমি আবার হাঁটব
সকাল বিকেল ফুলের রাস্তা মাড়িয়ে, মাথার টুপি উড়িয়ে,
প্রাণ যখন হবে ওষ্ঠাগত, কলকাতার গরমে আর মিছিলের তাণ্ডবে-
আসব ফিরে তোমার কাছে, সবাইকে ভালো রেখো আবর্জনা সব পুড়িয়ে ॥

অনুরাধা গুপ্তা
ব্যাঙ্গালোর 8/10/14

মনের ভিতর

মনের মধ্যে কতরকম ছবির দৃশ্য ভেসে ওঠে-
একের পর এক দৃশ্য তাই তার নাম চলচ্চিত্র
কখনও সৃষ্টি করে মনের গভীরে দীর্ঘ ক্ষতচিহ্ণ
কভু বা আনন্দের রেশ, বাহারী রং বেরং কত বিচিত্র ।

এই আলো আঁধারির মাঝে বিদ্যুতের মত উজ্জ্বল
অতি তীক্ষ্ণ সেই মহান অবতারের প্রবেশ –
উদ্বেলিত হৃদয়ে ধ্বনিত হয় মন্দ্রগম্ভীর ‘ওম’ ধ্বনি
ধীরে ধীরে হারিয়ে যায় গভীর তমসা, অতন্দ্র আবেশ ।

কত সহজ স্বচ্ছ চিন্তাধারা, কি সুন্দর প্রকাশ-
অতি অনায়াসে বেরিয়ে এসে আঘ্রাণ করি সেই চিন্তা
নিজের ভেতর থেকে বেরিয়ে বাইরে এসে দাঁড়াই
ভুলে যাই নিজেকে, মিশে যাই, কেটে যায় দিনটা ।

মানুষ সত্য, নেই তার কোনো বর্ণ বিভেদ, জাত পাত
মনে হয় সকলের উপর মানুষ সত্য তাহার উপরে নাই
তবু কেন মোরা পারি না এই নির্দেশ করতে পালন
নিজের মধ্যে ঘুরে বেড়াই, নিরন্তর নিজেকে হারাই ।

আমি সেই পরমব্রহ্মর অংশ, আমার মধ্যে তিনি বিরাজমান
তাই যেন মনে থাকে সর্বদা, ব্রহ্মকে প্রত্যক্ষ করি তোমাতে
মধুর ব্যবহার, সততা, হাসি ভরিয়ে রাখে মোর অন্তঃস্থল
কি অনিশ্চিত এই শরীর, যেন পদ্মপাতায় জল ॥

অনুরাধা গুপ্তা
ব্যাঙ্গালোর 13/6/14

চলবে না

চলবে না চলবে না , এই সরকার চলবে না –
চটিপুলিশ, গেঞ্জিপুলিশ এদের গুঁতো চলবে না –
নন্দীগ্রামের মাটির ওপর হার্মাদের লাঠি চলবে না –
মা মাটি মানুষের সরকার আসবে এবার, পুঁজিবাদী চলবে না ।

এই সরকার পরিবর্তন মানে, হিংসা কভু নয় গো নয়-
বদল হবে বদলা নাকো – ভুলেও কভু দাঙ্গা নয়-
ছাত্র যৌবন দেশের ভবিষ্যৎ, তাদের ভুলেও পিটুনি নয়-
যাদবপুরে আঁধার রাতে পুলিশ মারে, তাও কি হয় ?

চটিপুলিশ, গেঞ্জিপুলিশ আবার এলো কেমন করে ?
কেমন করে মদ্দ পুলিশ ছাত্রীদের নিগ্রহ করে ?
কেমন করে পুরনো দিন ফিরে এসে দাঙ্গা করে ?
কেমন করে নতুন আলো হারিয়ে গেল , ভাবতে লজ্জা করে ।

এখনো সময় আছে, হে কাণ্ডারী, শক্ত হাতে নৌকা ধর-
এখনো সময় আছে, দুষ্ট ব্রণ নষ্ট কর –
এখনো সময় আছে – ছাত্র যৌবন রেয়াত কর –
এখনো সময় আছে – রাজনীতি পরিচ্ছন্ন কর ॥

অনুরাধা গুপ্তা
ব্যাঙ্গালোর 20/9/14

শিক্ষা

আজি শিক্ষা দিবসে জানাই তোমারে মোর সশ্রদ্ধ প্রণাম –
জন্মদাত্রী জননী আমার – করে চলেছ আশীর্বাদ অবিরাম –
প্রণমি তোমারে ধরিত্রী, মাগো দিয়েছ আলো হাওয়া বায়ু জল-
শিখায়েছ ধৈর্য , স্থৈর্য্য, হতে সর্ব্বংসহা ত্যাজি যত হলাহল ।
দিয়েছ মোরে শিক্ষা মোর যত গুরু বিদ্যা করেছ দান-
কেহবা কেটেছে গভীর চিহ্ন, অন্তরে রয়ে গেছে এক স্থান-
মানুষের সাথে মেলামেশা মোরে দিয়েছে কত যে শিক্ষা –
সন্তানরাও কভুবা আমাকে দিয়েছে বহুতর প্রশিক্ষা-
আর শেষ জীবনে সার্থক করে মা এসেছ দীক্ষা গুরু রূপে-
ধন্য আমি গুরুকৃপায় আজি পদপ্রান্তে বোঝাই তোমায় কিরূপে
প্রণমি তোমায় জগজ্জননী– নতমস্তকে মাগি আশীষ তব-
অমৃতপুরীতে যেন হেরি তোমারে নানারূপে নিত্য নব নব ॥

অনুরাধা গুপ্তা
ব্যাঙ্গালোর 5/9/14

ফ্লাইট নম্বর 116

আজকে আমার চালিকা এক নারী তার সঙ্গিনী সেও ব্যাঙ্গালোর বাসিনী
আকাশ যানের বাকী চারজন সেবিকা ও নারী –
হে জগন্মাতা, এ কি পরিহাস তোমার
আজও কিনা কন্যাভ্রুণ হত্যার ইতিহাসে আমরা এগিয়ে ।

এগিয়ে ছিলাম আমরা বহুদিন ধরেই-
গার্গী মৈত্রেয়ীর কথা মোদের সকলেরই জানা-
মহিষাসুরমর্দ্দিনীর মত দশভূজা নারী
অতি অনায়াসেই আয়ত্তে আনতে পারে পুরুষতন্ত্রকে ।

তবে কেন আজও পিছিয়ে আছে গ্রাম গঞ্জ
কেন উঠে আসেনা দীপিকা কুমারী বা মেরি কম্ রা
যারা পৃথিবীতে করেছে নাম উজ্জ্বল দেশের
বাচেন্দরী পাল বা বুলা কিম্বা আরতি সাহা রা ।

অগুণতি নারী আজ দেশের উন্নয়নে পুরুষের সাথে সমান পাল্লায় –
সুনীতা উইলিয়ামস কে ভুললে চলবে কেমন করে –
এদের দেখেও কেন চোখ খোলে না গ্রামবাসীদের-
কেন আজও জ্ঞানের আলো ঢোকে না তাদের ঘরে ?

হে নারী, জাগ্রত হও, উন্নত হও, একা এগিয়ে চলা নয় যথেষ্ট
হাত বাড়িয়ে ধর সেই ক্ষীণ হাত, টেনে তোল অন্ধকার থেকে আলোতে
অসত্যের থেকে নিয়ে চল সত্যের পথে, অজ্ঞানতা থেকে জ্ঞানের আলোয়-
মহামায়ার আশীর্বাদ ঝরে পড়ুক তোমার মাথে ॥

অনুরাধা গুপ্তা
ব্যাঙ্গালোর /দিল্লী 1/9/13

Post Navigation

Follow

Get every new post delivered to your Inbox.