anuradha1311

Smile! You’re at the best WordPress.com site ever

ফ্লাইট নম্বর 116

আজকে আমার চালিকা এক নারী তার সঙ্গিনী সেও ব্যাঙ্গালোর বাসিনী
আকাশ যানের বাকী চারজন সেবিকা ও নারী -
হে জগন্মাতা, এ কি পরিহাস তোমার
আজও কিনা কন্যাভ্রুণ হত্যার ইতিহাসে আমরা এগিয়ে ।

এগিয়ে ছিলাম আমরা বহুদিন ধরেই-
গার্গী মৈত্রেয়ীর কথা মোদের সকলেরই জানা-
মহিষাসুরমর্দ্দিনীর মত দশভূজা নারী
অতি অনায়াসেই আয়ত্তে আনতে পারে পুরুষতন্ত্রকে ।

তবে কেন আজও পিছিয়ে আছে গ্রাম গঞ্জ
কেন উঠে আসেনা দীপিকা কুমারী বা মেরি কম্ রা
যারা পৃথিবীতে করেছে নাম উজ্জ্বল দেশের
বাচেন্দরী পাল বা বুলা কিম্বা আরতি সাহা রা ।

অগুণতি নারী আজ দেশের উন্নয়নে পুরুষের সাথে সমান পাল্লায় -
সুনীতা উইলিয়ামস কে ভুললে চলবে কেমন করে -
এদের দেখেও কেন চোখ খোলে না গ্রামবাসীদের-
কেন আজও জ্ঞানের আলো ঢোকে না তাদের ঘরে ?

হে নারী, জাগ্রত হও, উন্নত হও, একা এগিয়ে চলা নয় যথেষ্ট
হাত বাড়িয়ে ধর সেই ক্ষীণ হাত, টেনে তোল অন্ধকার থেকে আলোতে
অসত্যের থেকে নিয়ে চল সত্যের পথে, অজ্ঞানতা থেকে জ্ঞানের আলোয়-
মহামায়ার আশীর্বাদ ঝরে পড়ুক তোমার মাথে ॥

অনুরাধা গুপ্তা
ব্যাঙ্গালোর /দিল্লী 1/9/13

ছাত্র ও রাজনীতি

তাজা রক্ত , তাজা জীবন , সবে মাত্র প্রস্ফুটিত
চোখে আশা , মনে কত উদ্দীপনা , সামনে বিশাল পৃথিবী
নানা রংএরঞ্জিত , উজ্জ্বল বর্ণাঢ্য তুলির টানে সজ্জিত
বহু জনমের শেষে মানুষের আগমনে ধন্য যে ধরিত্রী ।

মায়ের চোখে কত আশা , ভালবাসা মিলে মিশে একাকার
ছোট্ট এক চারা গাছকে জল ও সার দিয়ে সে আজ বিশাল
নানা রংএরসবুজের পাতায় তার নীচে অনেক পাখীর বাসা
মহীরুহের মত সে আজ উন্নত , উদ্ধত, ছুঁতে চায় নভোতল ।

মানুষের সাথে মানুষের কেন এত বিভেদ, অন্যায় , অবিচার
সত্যিই ত আমরা ত সকলেই একই রক্ত মাংসের মানুষ -
তফাত থাকতে পারে আর্থিক সাচ্ছন্দে, অথবা শারীরিক আকারে
কিন্তু মানবিকতা ? সেখানে ত সবাই একই স্তরের মানুষ ।

ছাত্র ও রাজনীতি, একে অন্যের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত
কিন্তু সেই ছাত্র রাজনীতি কেন হয় উত্তাল, হিংস্র , অসহিষ্ণু
রাজনীতির অ আ ক খ এই ছাত্রাবস্থাতেই হওয়া স্বাভাবিক
কিন্তু তা কেন সমাজকে করবে মলিন আর ক্ষয়িষ্ণু ?

অনুরাধা গুপ্তা
কোলকাতা 4/4/13

আবর্জনা

গ্রাম গঞ্জে শহরে প্রান্তরে শুধুই জঞ্জাল আর আবর্জনা ,
দেশে বিদেশে এই আবর্জনার কত সুকল্পিত ব্যবহার
বিভিন্ন ধরনের বাক্সে তার শেষ পরিণতি
রূপ নেয় জৈব সার অথবা কোন পন্থা যার খুবই দরকার ।

পশু পাখী গাছ পালা মানুষ বা অন্য কোন প্রাণীর
যত রকম অশুদ্ধ বস্তু তাকে আর ধরে রাখতে পারেনা ধরিত্রী
তার সঠিক রূপায়নে প্রয়োজন কত চিন্তা বা আর্থিক সঙ্গতি
তার কি ক্ষমতা আছে এ সুবিশাল যজ্ঞে এই পৃথিবীর ।

সর্বংসহা মা, তাও অনবরত আমরা স্বার্থপরের মত
কেটে ফেলছি গাছ , নদীতে দিচ্ছি বাঁধ, ভরছি জলাশয়
মাথায় এই চিন্তা খাচ্ছে ঘুরপাক , কত তাড়াতাড়ি অথবা
কেমন করে আমরা গুছিয়ে ফেলব ভবিষ্যতের বিষয় আশয় ।

ভুলে যাই শেষ পর্যন্ত কি হবে, কেমন দাঁড়াবে পৃথিবী
বন কেটে উঠছে নগরী, গড়ছে শিল্প , কিন্তু দূষিত হচ্ছে পরিবেশ -
রাখতে হবে প্রাকৃতিক সামঞ্জস্য, আবর্জনার সঠিক পরিষেবা
তাই বলে জঞ্জালের মত গাছ ও বন্য প্রাণীও করতে হবে শেষ ?

কিম্বা ছোট ছোট কুঠুরীর মত ফ্লাটবাড়ী চারিদিকে সৌন্দর্যায়নের রং
হম্ দো হামারা দো , অন্য কোন উপায় নেই জনসংখ্যা রোকার
তাই ‘মার ঝাড়ু মার, ঝাড়ু মেরে ঝেঁটিয়ে বিদায় কর’
বলে অগুণতি বরিষ্ঠ মানুষকে আনন্দ ভুলিয়ে দেয় বাঁচার ।

কেন এতদিন বাঁচবে মানুষ , কিসের লাভ তার ?
বরং তাড়াতাড়ি অচিনপুরে পাড়ি দিলে সবাই বাঁচে
হায় বিধাতা ! কেন বোঝ না সেই অসহায় মানুষের আর্তি
পাখীর মত ডানা মেলে কেন সহজে যায়না তোমার কাছে ॥

অনুরাধা গুপ্তা
ব্যাঙ্গালোর 25/8/12

অন্যায়

সত্যিই কি অন্যায় করলে মানুষ শাস্তি পায় ?
অন্যায় কি কখনও জেনে বুঝে করে নাকি ?
নিজেকে রক্ষা করার জন্য খুনের মাপ হয় -
তবে অন্যায় কখন করে, কারও না করে কোন ক্ষতি ।

শারীরিক নির্যাতন ছোটদের করেই থাকে মা বাবা
আজকাল অবশ্য তার খুবই কঠিন শাস্তি হয় তাদের
যারা সন্তানকে শিক্ষা দেবার জন্য তাদের ওপর হাত তোলে ;
Spare the rod, spoil the child প্রোযজ্য যাদের ।

অন্যায়ের বিশ্লেষণ নানারকম – তার নানারকম রং-
সারাদিন এই জগতে কত না অন্যায় ঘটে চলেছে -
জেনে শুনেও অনেকে বীর দর্পে অন্যায় করে,
ভুলে যায় তারা , এর শাস্তি তারা শীঘ্রই পেতে চলেছে ।

এ জন্মে সে শাস্তি না ও পেতে পারে -
হয়তো অন্য কোন জন্মে বিধি জানাবে ফরমান -
কাজেই সর্বদা হতে হবে খুবই চিন্তাশীল ,
প্রতিটি পদক্ষেপ ফেলতে হবে নিয়ে আরমান ।

সেই আশা যা নিজেকে করবে চিত্তশুদ্ধি
সেই আশা যা নাকি ম্লান করে দেবে সব অন্যায় অবিচার
সেই আশা যা দেবে এগিয়ে চলার আলো
আলোর বর্তিকা সামনে রেখে অন্ধকারে ফেলে সব অনাচার ।

হে পথের দিশারী, অর্জ্জুন সারথী, আমার ধ্রূবতারা
নিমজ্জিত হয়ে তোমার প্রেমরসে যেন ডুবে যেতে পারি
সেই অমৃতসাগরে যার ঢেউ আমার হৃদয়ে তুলবে উচ্ছ্বাস
আভূমিপ্রণত হয়ে বন্দি তোমায় নত মস্তক করি ॥

অনুরাধা গুপ্তা
ব্যাঙ্গালোর 24/8/12

পদতলে

আচ্ছা মা, তুমিই বল আমার সারা দিন কি করা উচিত
গৃহকর্ম, সে ত’ সব মানুষই করে অল্প বিস্তর -
সার্থক করতে এই জনম এর চেয়ে বেশী করা উচিত
নয়ত ঘানি টেনে যেতেই হবে জন্মজন্মান্তর ।

মা দেখাও পথ বলে দাও রাস্তা সুন্দর ছায়া সুনিবিড়
রংবাহারি ফুলের শোভায় হোক সে পথ অতীব সুন্দর
জীবনে মসৃণ পথ পাব না সেটা আমি ভালই জানি
দাও সেই ধৈর্য, বন্ধুর পথ হোক সুগম, মনে ভাবি নিরন্তর ।

মনকে বেঁধে শক্ত হাতে অহর্নিশি করি সদ্ভাবনা, সৎসঙ্গ
আপন থেকে পরের মাঝে করি যেন নিজেকে সমর্পন-
প্রেমের সাগরে ডুব দিয়ে অনন্তর জপি তোমার নাম
রূপান্তর আসুক আমার মনে দেহে, অবগাহন করি, করি অর্পন ।

অর্পন করি সেই পাদপদ্মে ধরিত্রী যার পদাধীন-
অর্পন করি সেই পাদপদ্মে নিজেকে ভুলি, করি জগৎ রঙিন -
অর্পন করি সেই পাদপদ্মে বিশ্ব যেই পদতলে করে চুম্বন -
অর্পন করি সেই পাদপদ্মে দুই বাহুডোরে বদ্ধ সেই আলিঙ্গন ॥

অনুরাধা গুপ্তা
ব্যাঙ্গালোর 29/3/14

মন

আয়নায় দেখে চেহারা ভাবি মনে আর কতদিন -
আরো কতদিন আমাকে এই জগতে করতে হবে বাস -
রূপোলী রংএর ছোঁয়া দেখা যায় অবিন্যস্ত চুলে যত্রতত্র
কিন্তু ভাবি মনে মনে মনটা ত’ এখন নরম কচি ঘাস ।

মন বলে চাই, কি চাই, কেন চাই, কতটা চাই -
এই চাহিদার হিসাব মেলায় কে নেই তার ঠিকানা
নেই শেষ- চেয়েই চলেছি, এটা দাও, ওটা দাও -
কেন যে ভুলেও ডুব দিতে চাই না- মন বলে জানিনা ।

বন্ধ কর এই দাও দাও- উলটে মনকে বলি আমার দেবার পালা
দুনিয়া অনিত্য- কিছুই থাকবে না আমার তাই বিলিয়ে দাও-
নদীর স্রোতের মত বয়ে চলুক মন- ত্যাগ কর সব বাসনা
শেষ পাড়ানির কড়ি যেন থাকে সাথে – শুধু তাই চাও ।

আনন্দে থাকুক মন- হিসাব কোরো না দেয়া নেয়ার
আনন্দে থাকুক মন- চোখের সামনে লক্ষ্য থাকুক স্থির
আনন্দে থাকুক মন- সমব্যথী থেকো সকলের প্রতি
আনন্দে থাকুক মন- সমাহিত হও চঞ্চল, অস্থির ॥

অনুরাধা গুপ্তা
ব্যাঙ্গালোর 28/3/14

ইচ্ছে

কত রকম ইচ্ছে যে মনের মধ্যে ঘুরে বেড়ায় -
রাতের শেষ আর ভোরের দেখা সব থেকে জরুরি হয়-
পুবের আলো আর পাতার নাচন মনকে করে দারুণ খুশী
সাঁঝের তারা দেখতে চাওয়া, মেঘের ভেলা খুব কি বেশী ?
সোজা সাপ্টা ইচ্ছেগুলো জমিয়ে ওঠে আনাচ কানাচ
ভৈরবী আর দরবারী দেয় মনকে নাড়ায় যতই নাচাক
নাচেন তালে বিরজু রাজা সাথে অভিনয় আর নাচ
রবিশঙ্করের তারের ঝালা, বাহার কিম্বা মাঝ খাম্বাজ !
আরো কত ইচ্ছা আছে গভীর হয়ে মনের ভিতর-
দেশ বিদেশে পাড়ি দিয়ে দেখি যেন সব ফন্দি ফোকর-
নায়াগ্রার জলপ্রপাত আর যদি পারি ব্যবিলনের উদ্যানটা
এস্কিমোদের কায়াকগুলো, পেঙ্গুইনের বরফ চাটা -
কিন্তু কেন যতই দেখি, যতই শুনি, বারবার ভাসে একটা ছবি
সাদা শাড়ী- আনন্দময়- একই রকম মায়ের ছবি -
মা তোমার বুকে মাথা গুঁজে বাকি জীবন বয়ে যেন যায় -
ঝরে পড়ে আশীষ তোমার অশ্রুধারায় বুক ভেসে যায়-
মা তোমার হাতের স্নিগ্ধ পরশ, ইচ্ছেময়ী ইচ্ছা তোমার
আমার ইচ্ছে হয় যেন তা, জনম জনম ইচ্ছে আমার ॥

অনুরাধা গুপ্তা
ব্যাঙ্গালোর 27/3/14

মেঘ তরণী

এবারে নীল আকাশে সাদা মেঘের ভেলা দেখতে পাচ্ছি না-
বিশাল থালার মত বৃহদাকার সূয্যিমামা তাকে করেছে গ্রাস -
সবুজের রংএর বাহারে দেখা দিয়েছে মাটীর ছোঁয়ার রং
শুকিয়ে যাচ্ছে তারা, রংবাহারি ফুলেদের মাঝে দেখা দিয়েছে ত্রাস !

কিসের ত্রাস- সূয্যিমামার রথের চাকা দিচ্ছে মেদিনীকে কাঁপিয়ে
হাওয়া বদলের মরশুম- মরশুমি ফুলেরাও নত মস্তকে করছে আবাহন -
দিবাকর না প্রভাকর – তার প্রভায় পৃথিবী চকিত, ভয়ে কম্পিত
মেঘেরা দিয়েছে পিঠটান – চারিদিকে সন্ত্রাস- আসছে সে আসছে ।

আসছে গ্রীষ্ম – তারপরেই আসবে বর্ষা- কালের অমোঘ নিয়ম
নেই কোন বেনিয়মের কারবার – আমরা মানুষেরাই যত বেহিসাবী
কেনযে এই নিয়মের দুনিয়ায় আমরাই যত নষ্টের গোড়া
বিজ্ঞানের উন্নতি করে প্রাকৃতিক নিয়মে হয়ে উঠছি অনাচারী ।

মেঘ গরমের দাপট কমাও, স্নিগ্ধ কর ধরণী, সবুজ কর মন -
লালের আগুন নিভিয়ে দিয়ে নীল আর সবুজে সাজাও ধরণী -
গানে গানে ভরিয়ে তোলো দিক – দশ দিক হয়ে উঠুক মধুময়
হৃদয়ে ভরে বিধাতার আশীষ, মেঘ হবে কি তুমি আমার তরণী ?

অনুরাধা গুপ্তা
ব্যাঙ্গালোর 27/3/14

ট্রেন

এবার মনটাকে করব আমার রাজধানী এক্সপ্রেস বা দুরন্ত ট্রেন
একবার টিকিট কেটে উঠে বসব পছন্দমত কামরাতে
সঙ্গী সাথী কাউকেই হয়ত পাব না মনপসন্দ -
কোঈ বাত নেই – তুমি থেকো সাথে সর্বদা দিনে রাতে ।

সারা রাস্তা আমরা কতরকম কথা বলব ভাবতেই শিহরিত
এক আনন্দস্রোত নেমে যাচ্ছে শিড়দাঁড়ার মধ্যে দিয়ে -
চমকে চমকে উঠি ভেবে তোমার মহিমা, করুণা, ভালোবাসার কথা -
তোমার ছবি দেখে চলেছি দুনয়ন দিয়ে, অন্তর দিয়ে, মনপ্রাণ দিয়ে ।

এই যাত্রার শেষ হবে তোমার পদপ্রান্তে এসে -
মাঝে মাঝেই কত বিপদ টিকিটচেকারের বেশে আসবে পরীক্ষা করতে
চাইবে দেখতে টিকিটখানি – সে ত’ কবেই তোমাকে দিয়ে রেখেছি
তুমি বারবার আমায় দেবে হাত বাড়িয়ে – কেউ পারবেনা কিছু করতে ।

সব টিকিটচেকার বিপদ হয়ে যতই করুক আমায় হেনস্থা
তোমার শক্তহাত দুটোহাত দিয়ে জড়িয়ে রাখব বুকে -
অমৃতের সন্ধানে মন নিয়ে চল আমায় সেই শান্তির আবাসে
চিরশান্তির আবাসে ঠিক হবে ঠাঁই, তুমি যে নেবেই আমাকে ॥

অনুরাধা গুপ্তা
ব্যাঙ্গালোর 28/3/14

ফাগুণ

রান্নাঘরের জানলা দিয়ে চোখে পড়ে জ্যাকারাণ্ডার মেলা
সবুজ অন্যান্য ঘন গাছের বনানী- আর গোলাপি বেগুনী খেলা
মিশে গেছে বহুদূর পর্যন্ত সবুজের রেশ পেছনে কংক্রীটের বাহার
চারিপাশে নেই কোলাহল, কানে ভেসে আসে মিঞা কি মল্লার ।

প্রকৃতিতে লেগেছে রং, হোরীর রং, লাল হলুদ বেগুনীর ছোঁয়া
বসন্তের মধুর বাতাস ব্যজন করে মনে রাঙায় রংবাহারি দোহা
নানা সুরে ধ্বনিত হয় মন, শান্ত হয় অশান্ত মনের বেদনা
ফাগুনের রংএর খেলা এসে মিশে সৃষ্টি করে গভীর উন্মাদনা ।

এই সুন্দর রংএর পৃথিবীতে হোক সকলের মন রঙে রঙিন
বিধাতার প্রদত্ত এই শান্তির শেষ হোক সুন্দর, সতেজ নবীন
মনের কালিমা যাক ধুয়ে, পুণ্য জলে স্নাত হোক এই ধরিত্রী
প্রেম ও প্রীতির ডোরে বেঁধে থাক, আশীর্বাদ থাক মা জগদ্ধাত্রী ॥

অনুরাধা গুপ্তা
ব্যাঙ্গালোর 17/3/14
হোলি

Post Navigation

Follow

Get every new post delivered to your Inbox.